শিক্ষকদের অবসর সুবিধা নিয়ে সংসদে সুখবর দিলেন শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মনি

0
79

শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মনি  জানিয়েছেন , ১৯ হাজার ৭৩২ জন বেসরকারি শিক্ষকদের অবসর সুবিধা প্রাপ্তির নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে। ২০১৮ সাল থেকে করা এসব আবেদন নিষ্পত্তি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সোমবার সংসদে প্রশ্নোত্তরে মুহিবুর রহমান মানিকের (সুনামগঞ্জ-৫) এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।

 

শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি আরো জানান, দ্রুততার সাথে এসকল আবেদন নিষ্পত্তির জন্য ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক ও কর্মচারী অবসর সুবিধা বোর্ড’ এর অনুকূলে এক হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ প্রদানের লক্ষ্যে কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। অর্থ অনুমোদনের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

 

মন্ত্রী বলেন, শিক্ষকদের অবসর সুবিধা প্রাপ্তির আবেদন দ্রুততার সাথে নিষ্পত্তি করার জন্য ইতিমধ্যে ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ১০০ কোটি টাকা অনুদান এবং ৫০০ কোটি টাকা এনডাওমেন্ট ফান্ড হিসাবে বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ১৫০ কোটি টাকা এবং ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ৫৩২ কোটি টাকা অনুদান হিসেবে মন্ত্রণালয় থেকে প্রদান করা হয়েছে। ২০১৭ সাল পর্যন্ত করা আবেদন নিষ্পত্তি করা হয়েছে। বাকিগুলো প্রক্রিয়াধীন আছে।

 

সরকারি দলের অসীম কুমার উকিলের এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী জানান, বর্তমানে দেশে ১০৫ টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে রয়েছে। এর মধ্যে ৯৪ টির কার্যক্রম চালু রয়েছে।

 

জাতীয় পার্টির ফখরুল ইমামের এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, মাধ্যমিক স্তরের নবম-দশম শ্রেণীতে গ্রুপ বা বিভাগ না রাখার চিন্তাভাবনা চলছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী দশম শ্রেণি পর্যন্ত সকল শিক্ষার্থী একই বিষয়ের ওপর শিক্ষা অর্জন করবে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ভিত মজবুত হবে। একাদশ শ্রেণী থেকে গ্রুপ বা বিভাগ ভিত্তিক লেখাপড়ার সুযোগ থাকবে। শিক্ষামন্ত্রী বলেন , তথ্য অধিকার আইন বিষয়ক বিষয়বস্তু অষ্টম শ্রেণীতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি , নবম-দশম শ্রেণির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি , নবম-দশম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় এবং নবম শ্রেণির পৌরনীতি ও নাগরিকতা বিষয় পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

 

শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি আরো জানান, শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক পরিমার্জন এর ক্ষেত্রে তথ্য কমিশনের ওয়েবসাইটে ঠিকানা অন্তর্ভুক্তকরণ এবং আইনটি আরও বিস্তৃত পরিসরে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি বিবেচনাধীন রাখা হবে।

শামীমা আক্তার খানম এর এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এমপিওভুক্তির জন্য যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তালিকাভুক্ত হয়েছে, এর মধ্যে যেসব প্রতিষ্ঠানের নামের সঙ্গে বিতর্কিত কিংবা স্বাধীনতাবিরোধী কোন ব্যক্তির নামের সম্পৃক্ততা রয়েছে সেসব প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তনের উদ্যোগ গৃহীত হয়েছে।